ভারতের গুপ্তচর সংস্থার RAW এর অর্ধশত বর্ষ পুর্ন হতে চলেছে

রাষ্ট্রনীতির অন্যতম অঙ্গ “গুপ্তচর“। যুগযুগ ধরে রাষ্ট্র নেতারা গুপ্তচরদের নিয়োগ করে এসেছেন। প্রাচীনকালেও এদের অস্তিত্ব ছিল। কৌটিল্য তার অর্থশাস্ত্রে এই সব গুপ্তচরের কথা উল্লেখ করেছেন,যারা ছদ্মবেশ ধারন করে অন্যান্য রাষ্ট্র বসবাস করে মৌর্য্য সম্রাটদের হয়ে গুপ্তচরের কাজ করত। শুধু কি পুরুষ, শুনলে অবাক হবেন বহু মহিলারা এই সব কাজের সাথে যুক্ত থাকতেন, এদের মধ্যে একশ্রেণী ছিলেন বীষ কন্যা। জ্যোতিষি নিয়োগ করে জন্মছক দেখে এদের জন্মের পরই পছন্দ করে নেওয়া হত তারপর খাদ্যের মধ্যে একটু একটু করে বীষ প্রয়োগ করে তাদের পুরো শরীরকে বীষাক্ত করে তোলা হত। এরা নিজেরা মরত না। কিন্তু ঠিক সময়ে খবর সংগ্রহ করে নিজের শরীরের মাধ্যমে বীষাক্ত করে এরা হত্যা করত তার target কে। ভারতের গুপ্তচর সংস্থা। RAW কে নিয়ে বহুদিন ধরে আমার লেখার ইচ্ছে। এই নিয়ে দীর্ঘ এক ধারাবাহিক লেখা লিখব বলে বহু দিন ধরে একটু পড়াশুনা করছিলাম। ঠিক এই সময় একটি বই আমার হাতে আসে, যে বইটির নাম, An Indian Spy in pakistan
লেখক মোহনলাল ভাস্কর নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করেছেন এই বইটিতে ১৯৬৮ সালের ২১ এ সেপ্টেম্বর ভারতের গুপ্তচর সংস্থা RAW প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। RAW এর অর্থ অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণ বিভাগ। ইন্দো চিন যুদ্ধে ভারতের ভয়ঙ্কর পরাজয়ের পর এই প্রতিষ্টানটির জন্ম হয়। কিছুটা জনগনের চাপে হয়েছিল বললেও ভুল হবে না। হুম, জনগনের চাপে পরেই সরকার বাধ্য হয়েছিলেন নিজেদের দেশের গুপ্তচর সংস্থা প্রতিষ্টা করতে। ব্যাপারটা কিন্তু এত সহজ না। বইয়ে পড়া কিংবা সিনেমাতে দেখা জেমস বন্ডের মতন জীবন কিন্তু তাদের না। বলা যায় এর থেকেও ভয়ঙ্কর যদি কিছু থাকতে পারে তাই। জীবনের প্রতি পদে বিপদ এবং মৃত্যু ভয়। ভারতের গুপ্তচর এই সংস্থটির হেড অফিস দিল্লিতে। নিজস্ব কোন ওয়েব সাইট এদের নেই। গভীর গোপনিয়তা এরা অবলম্বন করে চলেন। তাই যারা গুপ্তচর হিসেবে যোগ দিতে চান, তাদের একটু সমস্যা হয় এতে যোগ দিতে। তবে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েটের নামে এই পরীক্ষার বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। তাছাড়া আই পি এস, সেনাবাহিনী থেকেও সেইক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিকে তারা নেন। তবে নাট্যজগত,ইউনিভার্সিটি সব জায়গা থেকে এদের নির্বাচন করা হয়। ট্রেনিংটা চলে দীর্ঘ সময় বিদেশী ভাষা শিক্ষা, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, আত্মরক্ষার কৌশল, ধরা পরলে কিভাবে সব তথ্য গোপন করতে হবে সব কিছু তাদের সেখানো হয়। অনেক সময় বিদেশেও শিক্ষার জন্য পাঠানো হয় গুপ্তচর হতে গেলে নিজের জীবন নিয়ে কোন তথ্য গোপন করা যাবে না, ড্রাগ নেওয়া যাবে না, কোনরকম পুলিশ কেস থাকলেও সে গুপ্তচর হতে পারবে না
ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা RAW এর পঞ্চাশ বছর পূর্ন হল। তাই এবছর ধারাবাহিক ভাবে এই বিষয়ে লিখবো বলে মনস্থির করেছি। আজ প্রথম দিন আমি মোহনলাল ভাস্করকে নিয়ে লিখবো। মোহনলাল ভাস্কর পাকিস্তানে ভারতের গুপ্তচর ছিলেন। সেখানে তিনি একজন বিশ্বাসঘাতকের জন্য ধরা পরেগেছিলেন। অমৃক সিং নামে সেই লোকটি দুপক্ষের হয়ে চরের কাজ করতেন। মোহনলাল ভাস্কর পাকিস্তানের পারমানবিক প্ল্যান সম্পর্কে সব তথ্য সংগ্রহ করে ভারতে পাঠাতেন। এর জন্য তাকে পাকিস্তানে ভয়ঙ্কর কষ্ট করে থাকতে হত। এক জায়গা থেকে মোষ কিনে আরেক জায়গায় তারা বিক্রি করতেন। মাঝে মাঝে দেশে ফিরে পরিবারের সাথেও সময় কাটাতেন। কিন্তু একদিন তিনি ধরা পরে গেলেন। এইসময় ভাস্করের স্ত্রী গর্ভবতী। দীর্ঘ সাত বছর তার ওপর ভয়ঙ্কর অত্যাচার চালানো হয়েছিল সারা শরীর তার ক্ষতবিক্ষত হয়ে উঠেছিল। এক্ সময় যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে যান। এই দীর্ঘদিন পাকিস্তানের জেলে থেকে তিনি তার ভয়ঙ্কর রুপ দেখতে পেরেছিলেন। এমন কিছু ভারতীয় চরেদের দেখেছেন যারা ভয়ঙ্কর অত্যাচার সহ্য করেও মুখ খুলত না। পেট ভরে খাবার খেলে বেশি অত্যাচার করত তাই পেটভরে খাবার খেতে তাকে মানা করেছিল এল রক্ষি মুক্তি যুদ্ধের সময় শেখ মুজিবর রহমান তার সাথে এক জেলে ছিলেন। এই জেলে তাকে মৃত্যুদন্ড দেবার জন্য ৮ বার কবর খোরা হয়েছিল।কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারনে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হয়। এই সময় ভারতের সীমা রক্ষাবাহিনীর দুই জবান একটি ভারতের বিমান অপহরণ করে পাকিস্তান নিয়ে যায়। এদের সাথে কথা বলার সুযোগ ভাস্করের হয়েছিল এরা ভাস্করকে জানিয়েছিলেন, ভারতের প্রতিটি শহরে কাশ্মীর সমস্যার জন্য প্রচার করার টাকা CIA থেকে পাঠানো হয়
কাশ্মীর সমস্যার জন্য বিপুল পরিমান অর্থ আমেরিকা থেকে আসে।ভারত আর পাকিস্তানের মানুষ বোকার মতন লড়ছে, আসল লাভ অন্য একজন লুটছে জুলফিকার আলি ভুট্ট, ইয়াইহা খান সহ বিভিন্ন মানুষের প্রসঙ্গ ঊঠে এসেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধের ঘটনা উঠে এসেছে। পাকিস্তানের ওপর যখন বোম ফেলা হচ্ছিল, তখন ভারতীয় বন্দীরা ভারত মাতা কি জয় বলছে চিৎকার করে উঠছিল। পাকিস্তানের সাধারন মানুষের সহজ সরল আন্তরিক ব্যাবহারের কথাও উঠে এসেছে। তাদের সাথে লেখকের বেশ আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকজন বন্দী লেখকের চিঠি তার স্ত্রীর ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতেন। লেখকের বর্ননাতে এমন একদল ডাকাতের কথা উঠে এসেছে যারা দুই দেশে ডাকাতি করত। লেখক মোহনলাল ভাস্কর, লখেছেন একজন গুপ্তচর তার জীবনের এত বড় ত্যাগ করে, কিন্তু ভারত সরকারের তরফ থেকে তাদের এই নরক থেকে উদ্ধার করার কোন চেষ্টা করা হয় না। সিমলা চ্যুক্তির পর দুই পক্ষের তরফ থেকে যখন বন্দীদের আদানপ্রদান হয়, তখন প্রায় ৭০ জন ভারতীয় বন্দীকে ভারতের চেকপোস্ট থেকে ফিরিয়ে দিয়েছিল, কারন তাদের কাছে যথেষ্ট প্রমান ছিল না। কিন্তু ভাস্কর সহ বেশ কয়েকশ ভাগ্যবান বন্দী ভারতে ফিরতে পেরেছিলেন। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং সংক্ষেপে ‘র’ নিয়ে এমন কিছু অজানা তথ্য রয়েছে যা শুনে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আসুন জেনে নিই ‘র’ সম্পর্কে কিছু মূল্যবান তথ্য।

১. ‘র’-এর মূলমন্ত্র হল ‘ধর্ম রক্ষতি রক্ষিত’। অর্থাৎ যে ধর্ম রক্ষা করে সে সব সময় সুরক্ষিত থাকে।

২. বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীকে সাহায্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল ‘র’।

৩. ১৯৬২-র ইন্দো-চিন যুদ্ধ এবং ১৯৬৫-র ভারত-পাক যুদ্ধের পর ‘র’-এর জন্ম, ১৯৬৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর। ভারতকে সুরক্ষিত রাখতেই প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও তার সরকার এই গোয়েন্দা সংস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।

৪. ‘র’-এর প্রথম ডিরেক্টর রামেশ্বর নাথ কাও

৫. আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র আদলে একে গড়ে তোলা হয়েছে। এর আধিকারিকদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয় আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইজরায়েলে

৬. কঠিন প্রশিক্ষণের মধ্য তৈরি করা হয় এক এক জন আধিকারিককে। কঠিন পরিস্থিতিতে কী ভাবে নিজেদের রক্ষা করবে তা শেখানো হয়। বিশেষ করে ‘ক্রব মাগা’ এবং গুপ্তচরবৃত্তির জন্য টেকনিক্যাল ডিভাইস কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে তা শেখানো হয়।

৭. ফিন্যান্সিয়াল, ইকনমিক অ্যানালিসিস, স্পেস টেকনোলজি, ইনফর্মেশন সিকিউরিটি, এনার্জি সিকিউরিটি এবং সায়েন্টিফিক নলেজের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আধিকারিকদের।

৮. ১৯৮৪-তে ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করে ‘র’, যে পাকিস্তান সিয়াচেন দখল করার জন্য অপারেশন আবাবিল-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ‘র’-এর গোপন তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পাক সেনাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় ভারতীয় সেনা।

৯. প্রথম দিকে আইবি, ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসেস, ইন্ডিয়ান মিলিটারি এবং রেভিনিউ ডিপার্টমেন্ট থেকে আধিকারিক নিয়োগ করা হতো ‘র’-এ। তবে এখন বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ছাত্রদের এখানে নিয়োগ করা হচ্ছে।

১০. কোনও বিষয়েই সংসদকে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয় ‘র’। শুধু প্রধানমন্ত্রী এবং জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটিকেই জবাবদিহি করবে। ‘র’-এর প্রধানকে সেক্রেটারি বলা হয়।

১১. মাত্র ২ বছরের ট্রেনিং হয় ‘র’-এর। তার মধ্যে রয়েছে বেসিক ট্রেনিং এবং অ্যাডভান্সড ট্রেনিং। বেসিক ট্রেনিং ১০ দিন মতো চলে। এই সময় ট্রেনিদের ইন্টেলিজেন্স এবং গুপ্তচর জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটানো হয়।

১২. অপারেশন কাহুটা-তে ব্যাপক ভূমিকা ছিল র-এর। এই অপারেশনের মাধ্যমে পাকিস্তানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রর প্রোগ্রাম সম্পর্কে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করেছিল র আধিকারিকরা।

১৩. পাকিস্তান ও চিন সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞ হন র-এর প্রধানরা। ১৯৬৮ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সংস্থাটি গঠন করেন। মাত্র তিন বছরের মাথায় বড় ধরনের সফলতাও পায় সংস্থাটি। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে র ব্যাপক ভূমিকা পালন করে সফল হয়। চার বছরের মাথায় আর এক সফলতার মুখ দেখে সিকিমকে ভারতভূক্ত করার মাধ্যমে।র’ আরেকটা বিশেষ অবদান মিজো জঙ্গিদের দমন করা। -এর প্রথম সেক্রেটারি ছিলেন রমেশ্বর নাথ কাও। যিনি আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের কাছে রামজি এবং জুনিয়র কলিগদের কাছে স্যার বলে পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন র-এর প্রতিষ্ঠাতা। কাওকে ইন্দিরা গান্ধী ও তার পিতা জওহরলাল নেহেরু ভালোভাবে চিনতেন। পেশাগত সততার ব্যাপারে অবহিত ছিলেন বলে তাকে এ সম্মানজনক পদের জন্য বেছে নেয়া হয়েছিল। এর পেছনে আরো কারণ ছিল। তিনি আইবি’র বৈদেশিক গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিলেন এবং ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব সিকিউরিটির (ডিজিএস) প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হিসেবে বেশ সুনাম অর্জন করেছিলেন। রিসার্স অ্যান্ড এনালাইসিস উইং। সংক্ষেপে আরঅ্যান্ডএডব্লিউ বা র।
তার গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করে না। অনেকের সন্দেহ ভারতের ক্ষমতাসীন দলের অনেক নীতিনির্ধারকও র-এর প্রকৃত তৎপরতা সম্পর্কে জানেন না। ভারতীয় জনগণ তো নয়ই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এর বার্ষিক বাজেট গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি সংসদেও সংস্থাটির আয়-ব্যয় নিয়ে কোনো আলোচনা করা যায় না। অবশ্য সংস্থাটি সম্পর্কে জানার ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে ভারতের জনগণের মধ্যে। পার্শ্ববর্তী সব দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ঘটনাবলি ও অবস্থান যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতিতে যার প্রভাব অবশ্যম্ভাবী সেদিকে লক্ষ রাখে। সংস্থাটি পাশের দেশগুলোতে ভারতের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এসব অঞ্চলে প্রকাশ্য বা পরোক্ষ কোনোরূপ ভারতবিরোধী সম্ভাবনা সৃষ্টির সুযোগ দিতে চায় না। ভারত মহাসাগরসহ সমগ্র উপমহাদেশে ভারতীয় সামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে কাজ করছে। বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য সংস্থাটি ভারতীয় দূতাবাসের ছদ্মাবরণ ও কূটনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগায়। যাকে দিয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয় তিনি সরকারি কর্মকর্তা কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তা হলেও তাকে ইন্টেলিজেন্স কর্মকর্তা বলা হয়। এসব কর্মকর্তা হতে পারেন রাষ্ট্রদূত, অ্যাটাশে (সামরিক, নৌ, বিমান), সিভিল এভিয়েশন, বাণিজ্যিক, পেট্রোলিয়াম অথবা কৃষিসহ যেকোনো ক্ষেত্রে কর্মরত। এমনকি দূতাবাসের সব কর্মচারীই ইন্টেলিজেন্সের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। শুধুমাত্র বৈদেশিক সম্পর্ক না, ভারতের অভ্যন্তরে শান্তিরক্ষার জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এই পর্বে আজ এত টুকুই থাক, পরের পর্বে র’ সম্পর্কে আরো অজানা তথ্য তুলে ধরবো।

👉১ম পর্ব…..

✍️লেখাঃদেবশ্রী চক্রবর্তী ( বিশিষ্ট লেখিকা )

Please follow and like us:
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *