বাঙালির ঘরে আবার অর্থনীতিতে নোবেল

  আনন্দ সংবাদ:ফের একবার নোবেল পেলেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ। অর্মত্য সেনের পর ২০১৯ এর নোবেল পুরস্কার উঠে এলো বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। একই সাথে অভিজিৎ  বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়ের স্ত্রী এসথার ডাফলোরও অর্থনীতি তে নোবেল পেয়েছেন। অর্থাৎ সস্ত্রীক অর্জন করেছেন নোবেল।অভিজিৎ  বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়, এসথার ডাফলোর ছাড়াও আরো একজন অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন, তাঁর নাম মিশেল ক্রেমার।

৫৮ বছর বয়সী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায়। পড়াশোনা করেছেন সাউথ পয়েন্ট স্কুলে। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক পাশ করেছেন।
পি এইচ ডি করেছেন হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে অর্থনীতির অধ্যাপক। একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়ের স্ত্রী এসথার। তাঁর জন্ম প্যারিসে।

৯ মিলিয়ন অর্থের এই নোবেল পুরস্কার তিনজন বিশ্বমানের অর্থনীতিবিদদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়।

 স্বভাবতই খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি টুইট করেছেন, ‘অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ায় প্রেসিডেন্সি এবং সাউথ পয়েন্ট স্কুলের প্রাক্তনী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। ফের এক বাঙালি দেশকে গর্বিত করলেন। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক বার্তায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিমান অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বাঙালি বলেই শুধু নয়, বিশ্বকে শান্তি এবং সৌভ্রাতৃত্বের স্থান করে তুলতে দারিদ্র দূরীকরণে তাঁর পরীক্ষামূলক ভূমিকার জন্যও শুভেচ্ছা জানালাম। এটা উল্লেখ করা দরকার যে, ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরপরই আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রেসিডেন্সি কলেজের মেন্টর গ্রুপে বিবেচিত করেছেন।’

Please follow and like us:
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *