দ্বিশতবর্ষে বিদ্যাসাগর

সৌরভ দত্ত : ১৮২০সালে ২৬ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন । এবছর তাঁর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী । বিভিন্ন সংগঠন সারা বছর ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর জন্মবার্ষিকী যথোচিত মর্যাদা সহযোগে পালনের পরিকল্পনা নিয়েছে ।
পিছিয়ে নেই “মিলন সমিতি “(হৃষিকেশ পার্ক )। প্রভাত ফেরী মাধ্যমে তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কলকাতার বাদুড়বাগানে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বাড়ি থেকে পদযাত্রা শুরু হয় , কয়েকটা পথ পরিক্রমা করে শেষ হয় তাঁর বাড়ির সামনে । সমিতির সদস্য ও বিভিন্ন সংগঠন এই পদযাত্রা অংশগ্রহন করে ।
অঙ্কন প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণ করে শহরের স্কুলগুলি ।
প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন । উপস্থিত ছিলেন অনুপ মতিলাল, শক্তিপদ বেরা,রূপালী চৌধুরী, তপতী ঘোষ, স্বপন সেন প্রমুখ । প্রত্যেকের বক্তব্যে উঠে এসেছে বিদ্যাসাগরের দ্বিশততম জন্মবার্ষিকীতে সঠিক মূল্যায়ন প্রসঙ্গ। বিদ্যাসাগরের জীবন নিয়ে গবেষণামূলক বই ‘একলা চলো রে ‘ ও তথ্যচিত্র “আত্মদানের উৎসধারা” প্রকাশিত হয় । এছাড়া সমিতির পক্ষ থেকে বিদ্যাসাগর ২০০ ছাত্র বৃত্তি ও বিদ্যাসাগর ২০০ শিক্ষা ও সেবা সম্মান প্রদান করা হয় , চারটি গ্রন্থাগারকে বই ও তথ্যচিত্র প্রদান করা হয়। বিদ্যাসাগরের উপর এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় , অংশগ্রহন করেন রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য, আশীষ লাহিড়ী, অভ্র ঘোষ, প্রথমা রায় মন্ডল । আশীষ লাহিড়ী বক্তব্যে বলেন, বিদ্যাসাগরের মূল্যায়ন বদলে অবমূল্যায়ন হচ্ছে ।
হুজুগে মেতে উঠেছে বঙ্গ সমাজ । প্রথমা রায় মন্ডল বক্তব্যে প্রকাশ পায় বাংলাদেশে বিদ্যাসাগরের প্রাসঙ্গিকতা। এরপর বনফুল কাহিনী অবলম্বনে ” বিধবা বিবাহ ” নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে ।

Please follow and like us:
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *